Thursday, February 20, 2025
Wednesday, February 19, 2025
২০২৫ ঢাবি অধিভুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (প্রযুক্তি ইউনিট )
ঢাবি অধিভুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
(প্রযুক্তি ইউনিট )
কলেজ (সরকারি ৩টি +বেসরকারি ৪টি)
১. ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
২. ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
৩. বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
৪. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ (নিটার)
৫. শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
৬. কে এম হুমায়ুন কবির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
৭. সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজি
৭টি কলেজের মোট সিট ১৫২০টি
বেসরকারি কলেজগুলোতে খরচ হতে পারে ৩,০১,১০০
থেকে ৪,৮৫,০০০ টাকা
বিস্তারিত মানবন্টন, সুবিধা, সাবজেক্ট
ইত্যাদি বিস্তারিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া আছে
কী সুযোগ-সুবিধা ?
কেন ভর্তি হবে ঢাবি অধিভুক্ত প্রযুক্তি ইউনিট
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ?
ঢাবি অধিভুক্ত ৩টি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে।
১. ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
২.ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
৩. বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
সবগুলোতে পড়াশুনার মান যথেষ্ট ভালো। প্রত্যেকটি কলেজ বি.এস.সি. ইন
ইঞ্জিনিয়ারিং সনদপত্র প্রদান করে থাকে।
কলেজের মধ্যে ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এ সি.এস.ই, ইইই
এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয়।
১। ২০ বছর আগেও রুয়েট, কুয়েট, চুয়েট
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছিল। ২০০৩ সালে এগুলো একসাথে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে
ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিণত হয়েছিলো।
২। শুধু তাই নয় বুয়েট, বুটেক্স ও ডুয়েট একটা সময়
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছিল। সময়ের সাথে সাথে এরা ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত
হয়েছে।
ঢাবি প্রযুক্তি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা
আবেদন শেষ: ১২ ফেব্রুয়ারী (২০২৫)
পরীক্ষার তারিখ:২৬ এপ্রিল (২০২৫)
ক্লাস শুরু: ১ আগস্ট (সম্ভাব্য)
Sunday, February 16, 2025
২০২৫ জাবি ডি ইউনিউ ভর্তির রেজাল্ট প্রকাশিত
Friday, February 14, 2025

২০২৫ জাবি D ইউনিটের ফলাফল প্রকাশিত
২০২৫ জাবি D
ইউনিটের ফলাফল।
পাশ করেছেন ১৭৬৬৪ (ছাত্রী) এবং ১৪০০৪ জন
(ছাত্র)। ছাত্রীদের প্রতি শিফট থেকে ৩১ জন করে নেয়া হবে। ছাত্রদের ৩৯ জন করে তিন
শিফট ও এক শিফট থেকে ৩৮ জন।
৪০+ OMR বাতিল হয়েছে বিভিন্ন কারণে।
Tuesday, February 4, 2025
২০২৫ সালে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ডেন্টাল ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের বিডিএস (ডেন্টাল) ভর্তি
পরীক্ষার আবেদন শুরু হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ করে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগ্রহী প্রার্থীদের ২০২৩ অথবা ২০২৪
খ্রিষ্টাব্দে এইচএসসি, এ-লেভেল বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। যেসব শিক্ষার্থী ২০২১
খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে এসএসসি, ও-লেভেল বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা আবেদন করার যোগ্য নন।’
প্রার্থীকে এসএসসি, ও-লেভেল বা সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে
উত্তীর্ণ হতে হবে এবং এইচএসসি, এ-লেভেল বা সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে অন্তত জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন থাকতে হবে। এছাড়া, এসএসসি, ও-লেভেল বা সমমান এবং এইচএসসি, এ-লেভেল বা সমমান পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে
৯.০০ থাকতে হবে।
উপজাতীয় ও পার্বত্য জেলার অ-উপজাতীয় প্রার্থীদের
জন্য এসএসসি, ও-লেভেল
বা সমমান এবং এইচএসসি, এ-লেভেল বা সমমান পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৮.০০ থাকতে হবে। তবে, কোনো একক পরীক্ষায় যদি জিপিএ ৩.৫০ এর কম হয়, তবে তারা আবেদনের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন
না। সকল প্রার্থীর জন্য, এইচএসসি, এ-লেভেল
বা সমমান পরীক্ষায় জীববিজ্ঞানে ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৪.০ থাকতে হবে, না হলে তারা আবেদনের যোগ্য হবেন না।
লিখিত ভর্তি পরীক্ষা এইচএসসি পরীক্ষার সিলেবাস
অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় মোট ১০০টি প্রশ্ন থাকবে, যার প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ নম্বর করে, ফলে মোট নম্বর হবে ১০০। বিষয়ভিত্তিক নম্বর
বিভাজন হবে: জীববিজ্ঞান ৩০, রসায়ন ২৫, পদার্থবিজ্ঞান
২০, ইংরেজি ১৫ এবং সাধারণ
জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) ১০। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা। লিখিত
পরীক্ষায় প্রতিটি সঠিক উত্তর দেওয়ার জন্য ১ নম্বর প্রদান করা হবে।
কোনো প্রশ্নের একাধিক উত্তর দিলে তা ভুল হিসেবে গণ্য
হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। লিখিত পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের
কম প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীরা দেশে অথবা বিদেশে বিডিএস/সমতুল্য কোর্সে ভর্তির অনুমতির
জন্য অকৃতকার্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। লিখিত পরীক্ষায় কৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের
মেধাক্রমসহ ফল প্রকাশ করা হবে।
এসএসসি, ও-লেভেল বা সমমান এবং এইচএসসি, এ-লেভেল বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ কে
মোট ১০০ নম্বর হিসেবে মূল্যায়ন করা হবে। এসএসসি, ও-লেভেল বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর ১০
গুণ হবে ৫০ নম্বর (সর্বোচ্চ), এবং এইচএসসি, এ-লেভেল বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর ১০ গুণ হবে ৫০
নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর এবং এসএসসি, ও-লেভেল বা সমমান ও এইচএসসি, এ-লেভেল বা সমমান পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রাপ্ত
জিপিএ অনুযায়ী নম্বর যোগফল করে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
আবেদন করার প্রক্রিয়া:
আবেদনকারীদের টেলিটক প্রিপেইড সিমের মাধ্যমে এক
হাজার টাকা জমা দিয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদনপত্র
পূরণ করতে হবে।
ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার জন্য অনলাইন ফরম পূরণের
প্রক্রিয়া ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য টেলিটকের ওয়েবসাইট (http://dgme.teletalk.com.bd),
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের
ওয়েবসাইট (www.mefwd.gov.bd), স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dgme.gov.bd)
এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dghs.gov.bd)
থেকে পাওয়া যাবে।
